জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, খসড়া দেয়া হয়েছে আজ বা কাল প্রাথমিকপর্যায়ের ঐক্যমতের খসড়া পৌঁছে দেয়া হবে।
আলী রীয়াজ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘জুলাই সনদ’ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথে একটি ঐতিহাসিক দলিল হয়ে উঠুক—এমনটাই চায় কমিশন।
আগামী ১০ দিনের মধ্যে জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে চাইছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ। আর এ জন্য সব রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, মৌলিক বিষয়ে সবার মতামতের মধ্য দিয়ে আমরা এক জায়গায় যেতে পারি। কমিশন আলাদা কোনো সত্তা নয়। কমিশন ব্যর্থ হলে সবাই ব্যর্থ হবে। আমাদের ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, নারীকে যথাযথ সম্মান না দিয়ে দমিয়ে রাখলে রাষ্ট্র পিছিয়ে যাবে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, বড় ধরনের অগ্রগতি ঘটাতে চায় কমিশন। অগ্রগতি নিয়ে চলতি সপ্তাহে তিন দিন আলোচনা হবে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য মৌলিক বিষয়গুলোতে এক ধরনের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য ধারণ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংশোধনী প্রস্তাব আনছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।
যেসব বিষয় প্রাথমিক আলোচনায় ঐকমত্য হয়নি সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, গত ৫৩ বছরে এমন আলোচনার সুযোগ হয়নি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, আবু সাঈদের মৃত্যুবার্ষিকী অর্থাৎ ৬ জুলাই তারিখেই প্রত্যাশিত ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরের আশা ছিল—তা হয়তো বাস্তবায়ন সম্ভব নাও হতে পারে।