জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সবার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে রাজপথে, চর্চা ও ঐক্যে। সেই সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে জাতীয় সনদ তৈরিতে।
আলী রীয়াজ
দ্রুত সময়ের মধ্যে জুলাই সনদ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার ফল।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, কমিশনের লক্ষ্য হলো সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা। যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। যার মধ্যদিয়ে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা নির্মাণ করা হবে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, ৩৫টি দল সংস্কার প্রস্তাবনা দিয়েছে আর বিএনপিসহ ১৫ দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রতিদিন আলোচনার বিষয়গুলো প্রধান উপদেষ্টাকে অবিহিত করা হচ্ছে।
দেশে পুনরায় যাতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেটাই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বারবার আমরা দেখছি- এদেশে গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে, ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এ দেশে। সেগুলো যাতে ভবিষ্যতে না হয় সেজন্য গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো সংগ্রাম করেছে। এক্ষেত্রে বিএনপি অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করে যেসব জায়গায় ঐকমত্য হবে, তার ভিত্তিতে জাতীয় সনদ তৈরি করা যাবে। জাতীয় সনদ তৈরির মাধ্যমে জাতির যে রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা, সেদিকে অগ্রসর হওয়া যাবে।
সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। শনিবার সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে খেলাফত মজলিশের বৈঠকের শুরুতে এ কথা বলেন তিনি।
সংস্কার নাকি আগে নির্বাচন সেই প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কোনো ধরনের চাপে নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ।