মুমিনের জীবনে সবচেয়ে বড় চাওয়া-পাওয়া হলো আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা। মুমিন তার রবের সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা পাওয়ার লক্ষ্যে গোটা জীবন ইবাদত করে।
আল্লাহ
কোরআন ও হাদিসে আল্লাহর যেসব গুণাবলির বর্ণনা এসেছে সে সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা আবশ্যক।
আল্লাহ রব্বুল আলামিন বান্দার প্রার্থনা বা মোনাজাত শোনা এবং কবুল করা পছন্দ করেন।
ইসলাম নানাভাবে সামাজিকতায় উদ্বুদ্ধ করেছে এবং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয় এমন কাজের নির্দেশ দিয়েছে।
ওলি আরবি শব্দ। যার অর্থ বন্ধু, অভিভাবক, নৈকট্য অর্জনকারী। ওলির বহুবচন আওলিয়া। কোরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে ওলি ও আওলিয়া শব্দের ব্যবহার হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছ তাদের পরিচয়।
বিসমিল্লাহ পাঠের পর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত ‘আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন’। অর্থাৎ আলহামদু লিল্লাহ বাক্যের মাধ্যমেই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের সূচনা হয়েছে।
আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন। মানুষ নিজ জীবনে আল্লাহর আনুগত্য ও পৃথিবীর বুকে তাঁর আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব করে।
আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা অর্জনই মুমিন জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রধানত যেসব আমলের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত,
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে ঈমানের বহুমুখী কল্যাণ ও সুফলের বিবরণ এসেছে। নিম্নে এমন কিছু সুফল ও পুরস্কারের বর্ণনা তুলে ধরা হলো—
সৃষ্টিজগতের ওপর আল্লাহ তাআলার নিয়ামত এত বেশি যে দুনিয়ার সব মানুষ সমবেতভাবে সেগুলো গুনতে চাইলে তা গুনে শেষ করতে পারবে না।