আল্লাহ ইমানদারদের জান্নাতে ঠাঁই দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এজন্য আল্লাহ-প্রদত্ত জীবনবিধান ইসলামে অটল থাকতে হবে।
আল্লাহ
আল্লাহর প্রিয় বান্দারা এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে থাকেন, যা তাঁদের আল্লাহর নৈকট্য লাভে সাহায্য করে থাকে।
‘তাওয়াক্কুল’ বা আল্লাহর ওপর ভরসা করা, এটি মুমিন বান্দার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইরশাদ হয়েছে-‘আল্লাহ তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। অতএব মুমিনগণ আল্লাহর ওপর ভরসা করুক।’ (সূরা আত-তাগাবুন-১৩)
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, জালিমদের হাত থেকে আল্লাহ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন।
আল্লাহর রাসূল সা. পৃথিবীতে ভালোবাসা বিলিয়ে গেছেন। তিনি অন্যদেরকেও হৃদয়ে ভালোবাসা ধারণ করতে বলেছেন। যারা অন্যকে ভালোবাসে আল্লাহ তায়ালাও তাদেরকে ভালোবাসেন বলে জানিয়েছেন।
মহান আল্লাহ দুনিয়াবাসী মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নেন। আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমরা সাহায্য কামনা করো।
মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত ইসলামের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মহানবী সা. ও সাহাবীদের হিজরতের পরেই মদিনা থেকে ইসলাম শক্তিশালী হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।
নিজের পছন্দনীয় জিনিস অন্যের জন্য বরাদ্দ করার নামই হলো স্বার্থ বিসর্জন। পূর্ণাঙ্গ ঈমানের দাবি হলো অন্য মুসলিম ভাইয়ের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করা।
মুসলমানের বন্ধুত্বের ভিত্তি হতে হবে ঈমান ও ইসলামের ওপর। ভালোবাসা হতে হবে শুধু আল্লাহর তাআলার জন্য।
পৃথিবী নিজ থেকে ছড়িয়ে পড়া কোনো জঙ্গল নয়, বরং একজন মহান মালির পরম যত্নে গড়ে তোলা সুপরিকল্পিত বাগান।