মহান আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তাদের বানিয়েছেন সৃষ্টির সেরা। দিয়েছেন সবচেয়ে সুন্দর অবয়ব। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, আমি তো সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম গঠনে। (সুরা তিন: ০৪)
আল্লাহ
প্রয়োজনে মানুষ আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করে। প্রয়োজন ছাড়াও প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা উচিত। সবসময় আল্লাহকে স্মরণে রাখা উচিত। যখনই আল্লাহর কাছে কোনো প্রার্থনা করবেন, কোনো প্রয়োজনে তার কাছে চাইবেন তখন আল্লাহর সুন্দর নামগুলোর মাধ্যমে চাওয়া উচিত।
বান্দার ওপর মহান আল্লাহর কিছু হক বা অধিকার রয়েছে। যেগুলো আদায় করা বান্দার কর্তব্য। যারা মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর ঈমান এনেছেন, তারা আল্লাহর প্রথম হক আদায় করেছেন।
পরকালে মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার হবে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ। মহান আল্লাহ জান্নাতিদের তাঁর সাক্ষাৎ দান করবেন।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ পরকালে জবাবদিহির চিন্তা চিরজাগ্রত রাখার তাগিদ দিয়েছেন।
ইসলামের ইতিহাসে লাইলাতুল মেরাজ অলৌকিক একটি ঘটনা। হিজরতের এক বা দেড় বছর আগে নবীজি যখন প্রিয়জন হারানোর বেদনায় ব্যথিত ছিলেন, কাফেরদের জুলুম-নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে সান্ত্বনাস্বরূপ আরশে আজিমে আমন্ত্রণ করেন।
মুমিনের জন্য জীবনের প্রতিটি নতুন দিনই মহান আল্লাহর নিয়ামত। প্রতিটি দিন তাকে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে অগ্রগামী হতে সাহায্য করে।
পৃথিবীর আহ্নিকগতির কারণে দিন-রাত্রি এবং বার্ষিকগতির প্রভাবে ঘটে ঋতুচক্রের পরিবর্তন। মহান আল্লাহর বাণী ‘তিনিই রাতকে দিনে এবং দিনকে রাতে পরিবর্তন করেন, তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়ন্ত্রণ করছেন;
জগতের শ্রেষ্ঠসন্তান আলেম সমাজ। সাধারণ মানুষ আলেমদের অনুকরণ-অনুসরণকেই আখেরাতের মুক্তির পাথেয় মনে করে। আলেমদের মর্যাদা সম্পর্কে কোরআন-সুন্নাহয় এত এত গুরুত্ব এসেছে যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ আলেমদের প্রতি মহব্বত রাখা সৌভাগ্য মনে করতে বাধ্য হয়েছে।
জগতের শ্রেষ্ঠসন্তান আলেম সমাজ। সাধারণ মানুষ আলেমদের অনুকরণ-অনুসরণকেই আখেরাতের মুক্তির পাথেয় মনে করে।