যুদ্ধ চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন। এতে অনেকেই তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। বিশ্ববাসী এ যুদ্ধ নিয়ে চরম উদ্বিঘ্ন।কয়েক হাজার মাইল দূরে বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ওই দু’দেশের বহু নাগরিক নিয়োজিত রয়েছেন।
- মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদনের গুগল ফরম পূরণের সময় বাড়ল
- * * * *
- গাজীপুরে শ্রমিকবাহী বাস উল্টে আহত ১৫
- * * * *
- চ্যাম্পিয়নস লিগের আগে বড় সুখবর পেল রিয়াল মাদ্রিদ
- * * * *
- অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য বিএসিতে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ৭ প্রোগ্রামের আবেদন
- * * * *
- রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১৪
- * * * *
ইউক্রেন
ইউক্রেনে আটকা পড়া বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’র ২৮ নাবিক নিরাপদে রোমানিয়ায় পৌঁছেছেন। আজ রোববার ভোরে তারা রোমানিয়ায় পৌঁছান।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জেরে যুদ্ধ করতে দেশে ফিরেছেন ৬৬ হাজারের বেশি ইউক্রেনিয়ান ।শনিবার এক টুইট বার্তায় এই কথা জানান দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী অলেকসি রেজনিকভ।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেন ইস্যুতে শুক্রবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেরগেই শোয়গুর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ দশম দিনে গড়িয়েছে এবং দু পক্ষের দ্বিতীয় দফা আলোচনাতেও কোন সমঝোতা হয়নি। আবার বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বন্ধের দাবি জোরালো হলেও তার দিকে নজর নেই কোন পক্ষেরই।
বেসামরিক মানুষজনকে নিরাপদে সরে যেতে দেয়ার জন্য ইউক্রেনের দুইট শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। একে 'হিউম্যানিটারিয়ান করিডোর' বলে তারা বর্ণনা করেছে।
ইউক্রেন ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পক্ষে বিশ্বের বড় শহরগুলোয় সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
যুদ্ধের ঘনঘটার মধ্যে সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে তা অনুমান করা সত্যিই কঠিন। যুদ্ধক্ষেত্রের নানা খবর, কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ, হতাহতদের স্বজনদের বিলাপ আর বাস্তচ্যুতদের দুর্ভোগ-এগুলোর মধ্যে মানসিকভাবে দিশেহারা হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তার মধ্যেও বিশ্লেষকরা বুঝে ওঠার চেষ্টা করছেন যে আগামী দিনগুলোতে ইউক্রেনের এই সংঘাত ঠিক কোন দিকে যেতে পারে।
ইউক্রেনের ওপর নো-ফ্লাই জোন আরোপের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে ন্যাটো। এর তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি বলেন, রাশিয়ার আরো আগ্রাসনের বিষয়টি জেনেও ন্যাটো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন হুঁশিয়ার করেছেন এই বলে যে যারা ইউক্রেনে রুশ অভিযানের বিরোধিতা করছে, তারা যেন তার দেশের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে পরিস্থিতির অবনতি না ঘটায়। এক সরকারি সভায় ভাষণ দেয়ার সময় তিনি একথা বলেন।