ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও তার জোট ন্যাটোর সরবরাহ করা কিছু অস্ত্র ও সরঞ্জাম ইরানে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। আর এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম নিজেদের মতো করে গড়ে নেয়ার চেষ্টা করছে ইরান। বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্রের সাথে আলাপ করে এ খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
ইউক্রে
ইউক্রেনের শহরগুলোকে টার্গেট করে রাশিয়া নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের শহরগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। এতে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে।
ন্যাটো প্রধান স্টলটেনবার্গ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কয়েক মাসের তীব্র লড়াইয়ের পর আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত নগরীর নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার বাহিনীর হাতে চলে যেতে পারে।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেশা অঞ্চল লক্ষ্য করে রুশ বাহিনী হামলা চালাচ্ছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছেন।
সাবেক রুশ প্রজাতন্ত্র জর্জিয়ায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য রাজধানী তিবিলিসিতে দ্বিতীয় দিনের মতো পানিকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছ। এনজিওগুলোর 'বিদেশী তহবিল' গ্রহণের বিরুদ্ধে একটি বিল পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে জর্জিয়া পরবর্তী ইউক্রেনে পরিণত হতে যাচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ ও সেখানকার শরণার্থীরা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট থেকে মনোযোগ সরিয়ে বিশ্বের আকর্ষণ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরো কঠিন করে তুলেছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ (ইউক্রেনে) পরিস্থিতিকে আরো কঠিন করে তুলেছে। পুরো ফোকাস (দৃষ্টি) এখন যুদ্ধ এবং ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের দিকে।’
অদৃশ্য হাতের কারসাজিতে' ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী সঙ্ঘাতের সৃষ্টি হয়েছে বলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাঙ মত প্রকাশ করেছেন।
উত্তর ইউরোপের দেশ এস্টোনিয়ায় প্রধানমন্ত্রী কাজা কালাসের মধ্য-ডানপন্থী রিফর্ম পার্টি পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের হাত আরো শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের প্রতি যেসব নেতা বলিষ্ঠভাবে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের অন্যতম হলেন কালাস।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ যুবক হারিয়েছে রাশিয়া। ব্রিটিশ ‘সিভিটাস রিসার্চ সেন্টার’-এর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মকর্তা রবার্ট ক্লার্ক এক প্রবন্ধে এ তথ্য তুলে ধরেছেন।
রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি অব্যাহত রাখতে যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল, তার মেয়াদে আগামী ১৮ মার্চ (শনিবার) শেষ হতে যাচ্ছে।