ট্যাংকের দাবি পূরণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬-এর মতো পাশ্চাত্যের চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গিবিমান চেয়েছে ইউক্রেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন জানায়, তারা ইউক্রেনকে আধুনিক ট্যাংক সরবরাহ করবে। এতে করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইরত ইউক্রেনের সৈন্যদের মনোবল ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।
ইউক্রে
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কলজ ইউক্রেনকে লিওপার্ড ২ ব্যাটল ট্যাংক সরবরাহ করতে রাজি হয়েছেন। রুশ বাহিনীকে বিতাড়িত করার জন্য ইউক্রেনের এসব ট্যাংক প্রয়োজন বলে বার্লিনের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে জার্মান চ্যান্সেলর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
ইউক্রেনে এক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সাথে সম্পর্কিত এক সরকারি রদবদলের আগে বেশ ক’জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।এদের মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একজন সিনিয়র সহকারী।
জার্মানির সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়াই ইউক্রেনে ট্যাংক পাঠানোর বিষয়টি ভাবছে পোল্যান্ড। সোমবার পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জার্মানি আনুষ্ঠানিক অনুমতি না দিলেও তার দেশ জার্মানির তৈরি লিওপার্ড টু ট্যাংক ইউক্রেনকে পাঠাতে প্রস্তুত দেশগুলোর একটি জোট তৈরি করছে।
রাশিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে হামলা চালানোর উদ্দেশে আমেরিকা ও ন্যাটো জোট ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করলে বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়বে। রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমার স্পিকার ভিয়াচেস্লাভ ভলোদিন এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
ইউক্রেনে এ পর্যন্ত রাশিয়ার এক লাখ ৮০ হাজার রুশ সৈন্য নিহত কিংবা আহত হয়েছেন। এদিকে ইউক্রেনের সেনা হতাহতের সংখ্যা এক লাখ এবং বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন ৩০ হাজার।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে ইউক্রেনকে ভারী ট্যাঙ্ক দেয়ার ‘কোনো বিকল্প নেই’। এদিকে জার্মানি ইউক্রেনের চাওয়া লিওপার্ড ট্যাঙ্ক দেবে কি-না তা এখনো জানায়নি।
মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাটো যদি ব্যাটল ট্যাংক ও দূর-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো ভারী অস্ত্র ইউক্রেনে মোতায়েন করে, তবে পুরোদস্তুর যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া।
ইউক্রেন হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের বিষয়টি তদন্ত করছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন। ইউক্রেনে বুধবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরো ১৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে
২০১৪ সালে দখল নেয়া ক্রিমিয়া রয়েছে। সেইসাথে রয়েছে, মাস চারেক আগে গণভোটের মাধ্যমে জুড়ে নেয়া ইউক্রেনের চার অঞ্চল— ডনেৎস্ক ও লুহানস্কের (একত্রে এই দুই অঞ্চলকে ডনবাস বলা হয়) পাশাপাশি জাপোরিজিয়া ও খেরসন। সবগুলো অঞ্চলকেই দেখানো হয়েছে ইউক্রেনের অংশ হিসেবে।