রাশিয়া নববর্ষের দিনে ইউক্রেনের হামলায় তাদের ৬৩ সৈন্যের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। রুশ-দখলে থাকা দনেৎস্ক অঞ্চলে অস্থায়ী ওই সামরিক শিবিরে হামলা চালিয়ে কয়েক শ' রুশ সৈন্য নিহত করার দাবি করেছিল ইউক্রেন।
- নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রবাসী বিএনপিতে উচ্ছ্বাস, থাকবেন হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রালে
- * * * *
- জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: পাটওয়ারী
- * * * *
- থানার ফটক ভাঙচুর, বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- * * * *
- একাদশ শ্রেণির আসল বই আসার আগেই নকলে বাজার সয়লাব
- * * * *
ইউক্রে
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্কে এক রকেট আক্রমণ চালিয়ে কয়েক শ’ রুশ সৈন্যকে হত্যা করেছে। বিবিসির সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, নিহত রুশ সৈন্যের সংখ্যা প্রায় ৪০০ হতে পারে।
পশ্চিমা দেশগুলোকে অবশ্যই ইউক্রেনকে দীর্ঘ মেয়াদে সাহায্য করার প্রস্তুতি রাখতে হবে। কারণ, রাশিয়ার নমনীয়ও হওয়ার কোনো লক্ষ্য নেই। ন্যাটো মহাসচিব এই কথা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী বলছে, নতুন বছর শুরু হওয়ার সময়টিতে তারা রাশিয়ার ছোঁড়া ৪৫টি বিস্ফোরক ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
ইউক্রেনের সরকার বলছে, গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া যুদ্ধ শুরু করার পর এযাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনজুড়ে বিভিন্ন শহরে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। এসব হামলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে এবং অন্তত তিনজন আহত হয়েছে।
মস্কো সোমবার বলেছে, তারা ইউক্রেনের নতুন এক ড্রোন হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছে। তাদের যৌথ সীমান্ত থেকে কয়েকশ’ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি সামরিক বিমান ঘাঁটিতে কিয়েভ এ হামলার চেষ্টা চালায়।
ইউক্রেন সংঘাতে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে কিয়েভ ও তার পশ্চিমা সমর্থকরা আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বলে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান। খবর রয়টার্সের।
ইউক্রেনে রুশ হামলার কারণে বছরে দেশটির শস্য উৎপাদন কমছে ৪০ শতাংশ।ইউক্রেনীয় শস্য সমিতির প্রধান সের্গেই ইভাশচেঙ্কো শুক্রবার এ কথা জানান।
ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য বরাবরই রাশিয়াকে দোষ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার কোনো দোষ নেই এবং তারা এর জন্য দায়ী নয়। এ সংঘাতের ফলে দুই দেশ `একই ট্র্যাজেডি বহন করছে` বলেও জানান তিনি
২০২৩ সালে শেষ হবে ইউক্রেন যুদ্ধ এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। এই যুদ্ধ বন্ধ করতে সব ধরনের পদক্ষে নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন জাতিসংঘ প্রধান।