ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জেরে যুদ্ধ করতে দেশে ফিরেছেন ৬৬ হাজারের বেশি ইউক্রেনিয়ান ।শনিবার এক টুইট বার্তায় এই কথা জানান দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী অলেকসি রেজনিকভ।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
ইউক্রে
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেন ইস্যুতে শুক্রবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেরগেই শোয়গুর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ দশম দিনে গড়িয়েছে এবং দু পক্ষের দ্বিতীয় দফা আলোচনাতেও কোন সমঝোতা হয়নি। আবার বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বন্ধের দাবি জোরালো হলেও তার দিকে নজর নেই কোন পক্ষেরই।
বেসামরিক মানুষজনকে নিরাপদে সরে যেতে দেয়ার জন্য ইউক্রেনের দুইট শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। একে 'হিউম্যানিটারিয়ান করিডোর' বলে তারা বর্ণনা করেছে।
ইউক্রেন ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পক্ষে বিশ্বের বড় শহরগুলোয় সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
যুদ্ধের ঘনঘটার মধ্যে সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে তা অনুমান করা সত্যিই কঠিন। যুদ্ধক্ষেত্রের নানা খবর, কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ, হতাহতদের স্বজনদের বিলাপ আর বাস্তচ্যুতদের দুর্ভোগ-এগুলোর মধ্যে মানসিকভাবে দিশেহারা হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তার মধ্যেও বিশ্লেষকরা বুঝে ওঠার চেষ্টা করছেন যে আগামী দিনগুলোতে ইউক্রেনের এই সংঘাত ঠিক কোন দিকে যেতে পারে।
ইউক্রেনের ওপর নো-ফ্লাই জোন আরোপের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে ন্যাটো। এর তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি বলেন, রাশিয়ার আরো আগ্রাসনের বিষয়টি জেনেও ন্যাটো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন হুঁশিয়ার করেছেন এই বলে যে যারা ইউক্রেনে রুশ অভিযানের বিরোধিতা করছে, তারা যেন তার দেশের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে পরিস্থিতির অবনতি না ঘটায়। এক সরকারি সভায় ভাষণ দেয়ার সময় তিনি একথা বলেন।
জাপোরিঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রে আগুনের ঘটনায় পরমাণু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আরেকটি ‘চেরনোবিল’ হবে না, কিন্তু তার পরও এর ঝুঁকি মারাত্মক।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ।রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে।সে অঞ্চল থেকে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ তথ্য দিয়েছেন।