ইবাদতের প্রকৃত স্বাদ তখনই লাভ করা যায় যখন তার উপযুক্ত কারণগুলো পাওয়া যায়। একজন মুসলমানের কর্তব্য হলো, এই কারণগুলো অর্জনের চেষ্টা করা।
ইবাদত
রহমত ও মাগফিরাতের দশক শেষ হওয়ার পর আমাদের মধ্যে হাজির হলো নাজাতের দশক। পবিত্র রমজানের এই দশক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
রোজা একই সঙ্গে আত্মশুদ্ধি ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার উত্তম পদ্ধতি।
সব ইবাদত ও নেক আমল একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখেরাতের জন্য করা মুমিনের ওপর ওয়াজিব।
শবে বরাত একটি মর্যাদাপূর্ণ রাত। ১৪ শাবান দিবাগত রাত তথা ১৫ শাবানের রাতকে হাদিসের ভাষায় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বলা হয়। যা আমাদের সমাজে শবে বরাত হিসেবে পরিচিত।
রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত। মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে।
আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণের নিকটি শীতকাল ভীষণ প্রিয়। কেননা অন্যান্য মৌসুমের চেয়ে এই সময়ে ইবাদত বেশি করা যায় এবং সহজভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
আল্লাহর তাআলা ইবাদত করার জন্যই মানব সৃষ্টি করেছেন। ইবাদত বলতে সাধারণত নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি মনে করা হয়। তবে ইসলামে ইবাদতের ধারণা আরো বিস্তৃত। এমন কাজ যা আল্লাহ ভালোবাসেন এবং যাতে তিনি খুশি হন, তা ইবাদত।
যৌবনকালের ইবাদতকে লাভজনক একটি ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগ) বলে আখ্যায়িত করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।
আল্লাহ তাআলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র তাঁরই ইবাদত করার জন্য। সেই ইবাদত শিক্ষা দেওয়ার জন্য যুগে যুগে তিনি নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন।