ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ গোপন সামরিক ঘাঁটি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
ইরানের
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগের মাঝে ব্রিটিশ সরকার ইরান-সংশ্লিষ্ট কয়েক ডজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের ইসরায়েলের ১৬ জনেরও বেশি পাইলট নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রাহিম-সাফাভি।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। সেখানে তিনি ঘোষণা করেছেন, তেহরান কখনোই পারমাণবিক বোমা বানাবে না।
যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তেহরানের সামরিক বাহিনীকে অর্থায়ন করেছে বলে ওয়াশিংটন বিশ্বাস করে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান-সম্পর্কিত নতুন এক দফা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
কাতারের ওপর ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এ নিয়ে কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ মঙ্গলবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতরা ইরানের শত্রু ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক “সন্ত্রাসী” গোষ্ঠীর সদস্য।
২০১৮ সালের পর এবার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ প্রকাশ্যেই এই হুমকি দিয়েছেন।