মাশরুম খেতে সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি এটি শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। কম ক্যালোরি ছাড়াও, মাশরুম অনেক পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। এটি সালাদ, স্যুপ, সবজি, এমনকী স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যায়। প্রতিদিনের ডায়েটেও মাশরুম অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
উপকার
ত্বক ভালো রাখার জন্য খাবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই হবে না, ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর রাখার জন্য খেতে হবে প্রয়োজনীয় সব খাবার। পর্যাপ্ত পানি পানের পাশাপাশি তাজা সবজি ও ফল খেতে হবে।
খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। খাওয়া দাওয়ার পর সচল থাকলে শরীরও ভালো থাকে। সারাদিন পরিশ্রমের পর বাড়ি ফিরে কোনও মতে খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। তবে পেটভরে খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ার এই অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য। মাঝে মধ্যে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে সে কথা মানুষ বেমালুম ভুলে যায়। চলতে শুরু করে বিপথে। শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আল্লাহর বিধান লঙ্ঘন করে ফেলে।
আপেল ও পেয়ারার দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এই দুই ফলের মধ্যে পুষ্টিগুণে কোনটা বেশি উপকারী, তা অনেকেই জানেন না। তাই আজ এই বিষয়টিই খোলসা করলেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাদে অতুলনীয় ও স্বাস্থ্যকর ফল আনারস। এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। আনারস খাওয়া শরীরে জন্য অত্যন্ত জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক আনারসের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।
মহান আল্লাহ ঈমানদারদের সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের বেলায় নিয়মিত অল্প ঘুম মস্তিষ্কের জন্য ভালো। এই ঘুম মস্তিষ্ককে বেশি সময়ের জন্য বড় রাখতে সাহায্য করে।
গরমে সতেজ থাকার স্বাভাবিকভাবেই আমরা ঠান্ডা পানীয় খুঁজি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লেমনেড বা আইস টি-র প্রতি আমাদের আগ্রহ থাকে। তবে জেনে অবাক হবেন, এই গরমে আপনাকে সতেজ রাখতে আদা চা-ও সমান কার্যকরী।
আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।