মে মাস এলেই বাংলাদেশে গরম আর কালবৈশাখীর কথা মনে পড়ে। কিন্তু দিনের এই রুক্ষতার আড়ালে মে মাসের রাতের আকাশ হয়ে ওঠে অসাধারণ মনকাড়া। বিশেষ করে ১৫ মে পর্যন্ত আকাশপ্রেমীদের জন্য সময়টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময় ধীরে ধীরে উজ্জ্বল গ্রহগুলো বিদায় নিতে শুরু করবে এবং রাতের আকাশ নক্ষত্র দেখার জন্য আরও অনুকূল হবে।
উল্কা
শীতের গভীর রাত। চারপাশে নীরবতা, কেবল হিমেল বাতাসের মৃদু স্পর্শ। এমন রাতে যদি মাথা তুলে তাকান, চোখের সামনে মিলতে পারে বছরের শেষ আকাশি বিস্ময়—উরসিড উল্কাবৃষ্টি। ডিসেম্বরের শেষ ভাগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা যেন প্রকৃতির নীরব বিদায়ী উৎসব, যা আকাশপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য আনন্দের উপলক্ষ।
রাতের আকাশপ্রেমীদের জন্য এক অসাধারণ দৃশ্যের অপেক্ষা। আর কয়েক দিন পরেই আকাশ সাক্ষী হতে চলেছে এক মহাজাগতিক ঘটনার; লিওনিড উল্কাবৃষ্টি। মুহুর্মুহু ঝরে পড়া এই উল্কার শোভা রাত জেগে দেখার সুযোগ পাবেন অনেকেই। প্রতি ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০টি উল্কা ঝরে পড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
প্রতি বছরের মতো এবারও আকাশপ্রেমীদের জন্য আছে এক অসাধারণ মহাজাগতিক আলোর ঝলক। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি উল্কা দেখা যেতে পারে, যা রাতের আকাশকে আলোকিত করে তুলবে। ১২ ও ১৩ আগস্ট বাংলাদেশের আকাশ থেকে দেখা যাবে এই অনিন্দ্য সুন্দর মহাজাগতিক ঘটনা—পার্সাইড উল্কাবৃষ্টি।
কেমন করে সৃষ্টি হয়েছিল এই সৌরজগৎ? কীভাবে প্রাণের সঞ্চার হয়েছিল পৃথিবীতে? আজও এই নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। এবার সেই সব প্রশ্নের না মেলা উত্তরগুলি খুঁজে পাওয়ার এক পথ পেলেন বিজ্ঞানীরা।
আল্লাহ যাক দেন ঝুড়ি ভর্তি করে দেন, এমন কথা নিশ্চয়ই আপনি অনেক শুনেছেন। কিন্তু এবার সেই কথাই সত্যি হল ইন্দোনেশিয়ার এক যুবক জোসুয়া হুটাগালানগুর ওপর। রাতারাতি দরিদ্র থেকে কোটিপতি হয়ে গেছে সে।