জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময় ডিবি অফিসে আটকে রেখে চোখ বেঁধে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর উপুর্যপুরি অত্যাচার ও নির্যাতন করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময় ডিবি অফিসে আটকে রেখে চোখ বেঁধে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর উপুর্যপুরি অত্যাচার ও নির্যাতন করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, আমরা নির্বাচিত হয়েছি। আমরা ক্ষমতা গ্রহণ করিনি, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিয়েছি। এটা আমাদের ক্ষমতা নয়, এটা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। নৈতিক অবস্থান থেকে এই দায়িত্বটুকু পালন করার ক্ষেত্রে আমি এ দেশের মানুষের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে সারা দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী গাড়ি থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সবার ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আজকের যেই অর্জন তা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। কেউ যদি উগ্রতা দেখায়, আমরা সাংঘর্ষিক হব না। কেউ যদি গায়ে পড়ে ঝগড়া করে, আমরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ব না, খুব ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ তারেক রহমান পজিটিভ ও দায়িত্বশীল।
আসন্ন সংসদ নির্বাচন সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এখন যে সুযোগ এসেছে, সেটিকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ এই নির্বাচন যদি না হয় সমাজ-দেশ ছারখার হয়ে যাবে। বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে।
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি-জামায়াতের মারামারিতে আহত নেতাকর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে দলটির এমপি প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আমি এ্যানি ভাইকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। তার কাছে যদি বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিয়ে থাকি, এর প্রমাণ থাকে অবশ্যই তিনি যেন সেটি হাজির করেন।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যখনই সুষ্ঠু ভোট হয়েছে তখনই বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিল, তারা স্বাধীনতার পর সাধারণ ক্ষমা পেয়েছিল। তবে সেই সাধারণ ক্ষমার সম্মান তারা রক্ষা করেনি; বরং সেটিকে অবমূল্যায়ন করেছে।