অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি সবজি গাজর। এটি যেমন ভাজি করে খাওয়া যায়, তেমনই সালাদ হিসেবে কাঁচাও খাওয়া হয়। দুই অবস্থাতেই বেশিরভাগ মানুষ গাজরের খোসা ছুলে ফেলে দেন। কিন্তু এই খোসার যে কত গুণ, তা জানলে চমকে উঠবেন যে কেউ।
খোসা
ফেলে দেওয়ার জিনিস থেকেও যে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়, তা অনেকেই হয়তো জানেন না।
কমবেশি সবার বাড়িতেই কলা খাওয়া হয়। সহজলভ্য ফলটিকে বেশিরভাগ মানুষ বেছে নেন সকালের নাশতা হিসেবে। কলা খাওয়ার পর বেশিরভাগ মানুষ খোসা ফেলে দেন।
রান্নাঘরের অতিপ্রয়োজনীয় একটি উপাদান হচ্ছে পেঁয়াজ। তরকারি যেমনই হোক না কেন, পেঁয়াজ ছাড়া রান্না চলেই না কিংবা হবে না।
প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ লেবুর খোসা চুল পড়া রোধ করতে পারে।
ডিমের খোসা ফেলে না দিয়ে নানা কাজে লাগাতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং খনিজ পদার্থ থাকে ডিমের খোসায়।
রান্নাঘরের বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া কলার খোসাকা কিন্তু নানাভাবে কাজে লাগানো যায়। এটি যেমন ত্বকের যত্নে অনন্য, তেমনি চুল ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
শীতের মৌসুমে ত্বকের ওপর অনেক বেশি প্রভাব পড়ে। কারণ এ সময় আবহাওয়ার সঙ্গে ত্বকের অনেক পরিবর্তন আসে।
কলা যে একটি উপকারি ফল তা সবার জানা। সারাবছরই বাজারে দেখা মেলে এই ফলে। অনেক পরিবারেই সকালের নাশতায় কলা রাখা হয়। কলা তো উপকারি, কিন্তু এর খোসা? এটিও কিন্তু কম উপকারি নয়।
আপেলের খোসার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।