ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় টানা প্রায় সাড়ে সাত মাস ধরে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলা ও অভিযানে উপত্যকাটিতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনের জেরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ। দখলদার রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে আন্তর্জাতিক আদালতে। গণহত্যা বন্ধের দাবি তুলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে।
গাজায
গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া থেকে তিন জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করেছে দখলদার ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। শুক্রবার (১৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনে নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
হামাস জিম্মিদের মুক্তি দিলে ‘আগামীকাল’ গাজায় যুদ্ধবিরতি সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ মে) ওয়াশিংটনের সিয়াটলে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
গাজায় সাত মাসের বেশি সময় ধরে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাদের এ হামলায় গাজার হাসপাতাল থেকে শুরু করে ধর্মীয় স্থাপনাও রেহায় পায়নি।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দীর্ঘ সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এই যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলি অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬০ বিলিয়ন শেকেল (১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।
গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৫৬৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৭৭ হাজার ৭৬৫ জন।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহাত হয়েছেন ৮৬ জন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নতুন করে আরও দুই ব্রিগেড সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দখলদার ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় খান ইউনিস শহরের একটি হাসপাতালের পাশে গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। কবরটি থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।