ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চল। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বাপাতলা উপকূলে আঘাত হানে। এতে ভারি বৃষ্টিতে ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে। এছাড়াও প্রবল এই ঝড়ের প্রভাবে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’র প্রভাবে সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-পথে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। ফলে সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। তাদের আরও একদিন দ্বীপে অবস্থান করতে হবে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টার মধ্যে (ভারতীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টা) ভারতের দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত করতে পারে।
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আজ (মঙ্গলবার) আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এখনো স্থলভাগে আছড়ে পড়েনি।
দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তরপশ্চিমে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় 'মিগজাউম'-এ পরিণত হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘মিগজাউম’।
বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আজ রোববার (৩ ডিসেম্বর) ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় হলে এটি ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত করতে পারে। বাংলাদেশে আঘাতের আশঙ্কা খুবই কম।
সমুদ্রের জলরাশির উপরিভাগের উষ্ণতা বাড়ায় বঙ্গোপসাগরে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে। এবার বছরের সর্বশেষ এবং চতুর্থ ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরির আভাস দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ তৈরি হয়েছে।