মিয়ানমারে আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।
- নিখোঁজের দুইদিন পর বীরগঞ্জে ভুট্টা ক্ষেতে নারীর মরদেহ
- * * * *
- দিনাজপুরে আঞ্চলিক স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রতিযোগিতা
- * * * *
- বিগত সরকার যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- মাদারীপুরে মানবাধিকার সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- * * * *
- ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, শিশু পুত্র আহত
- * * * *
জান্তা সরকার
মিয়ানমারে স্বাধীনতার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ছয় হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।
মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারের সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর গত কয়েক বছর ধরে চলছে সংঘাত।
মিয়ানমারে চীনা সীমান্তের কাছে জান্তা সরকারের একটি প্রধান সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বিদ্রোহীরা।
জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে মিয়ানমার পরিস্থিতি। দেশটির বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের সাথে সীমান্তবর্তী প্রদেশে সামরিক সরকারের লড়াই এখন তুঙ্গে।
অং সান সুচিকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে না মিয়ানমারের জান্তা সরকার। ফলে সুচির জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছে তার দল। বৃহস্পতিবার দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় চিকিৎসা বঞ্চিত করার পাশাপাশি সুচির খাবারেও অবহেলা করা হচ্ছে।
মধ্য মিয়ানমারের মাগউই অঞ্চলে সামরিক জান্তা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর একটি গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। বুধবার এই ঘটনায় ওই গ্রামের বাসিন্দা এক প্রবীণ দম্পতি আগুনে পুড়ে নিহত হয়েছেন। -খবর বিবিসি। সংবাদমাধ্যম বিবিসির কাছে ওই গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আগুনে গ্রামের দুই শ' ৪০টি বাড়ির মধ্যে দুই শ'টিই পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই মায়ানমারে পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। গণতন্ত্রকামীদের প্রবল বিক্ষোভের পর এবার বার্মিজ সেনার বিরুদ্ধে মোর্চা খুলেছে বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন। সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী সংগঠন। ফলে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছে বলে আশঙ্কা।
দেশটির নববর্ষ উপলক্ষে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার ২৩ হাজারেরও বেশি কারাবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। মিয়ানমারের কারা কর্তৃপক্ষের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
সপ্তাহখানেক আগেই মায়ানমারের প্রত্যন্ত এলাকার জনজাতি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি সেনা-বিরোধী বিক্ষোভে দেশের গণতন্ত্রকামী সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিল। সেই মতো এ বার সেনা-পুলিশের গুলি বর্ষণের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।