ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস।
জিম্মি
গাজায় হামাসের হাতে বন্দি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে তেল আবিবে বিক্ষোভ করেছে ইসরায়েলি নাগরিকরা।
যেসব টানেলে পানি ঢোকাতে শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী, এখন আর গাজার ওইসব টানেলে কোনও জিম্মি নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে দুইদিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর শেষ দিন আজ বুধবার ১৬ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। এর মধ্যে ১০ জন ইসরায়েলি, বাকিরা বিদেশি নাগরিক। তবে দুই ইসরায়েলি-রাশিয়ান ও চারজন থাই নাগরিককে চুক্তির বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে ইসরায়েল ৩০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে।
সব ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির দাবি করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের নারী সদস্য রাশিদা তালিব। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ সংবাদ প্রকাশ করেছে।
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির পঞ্চম দিনে চুক্তির অংশ হিসেবে আরো ১২ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে রেডক্রসের মাধ্যমে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
জিম্মিদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিতে ইসরায়েলে যাচ্ছেন থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী পার্নপ্রি বাহিধা-নুকারা।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিনে ১৩ ইসরায়েলিসহ চার থাইকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর বিনিময়ে ৩৯ জন কারাবন্দি ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে তেল আবিব। খবর বিবিসি
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস তাদের হাতে বন্দী দুই আমেরিকানকে ছেড়ে দিয়েছে। তারা হলেন জুডিথ তাই রানান এবং তার ১৭ বছর বয়স্কা মেয়ে নাতালি রানান। হামাসের হাতে বন্দী থাকার প্রায় দুই সপ্তাহ পর তারা মুক্তি পেলেন।