জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। বিশেষ এই দিনে বান্দার জন্য রয়েছে অশেষ ফজিলত। এ দিনে ইসলামী ইতিহাসে বড় বড় ও মহৎ কিছু ঘটনা ঘটেছে।
- বস্তুনিষ্ঠতাই সঠিক সাংবাদিকতার মানদণ্ড: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
- * * * *
- নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন
- * * * *
- মহাকাশযানের জানালা দিয়ে চোখ জুড়ানো দৃশ্য দেখালেন নভোচারী
- * * * *
- ইংল্যান্ড সফরের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ বাতিল করল বার্সেলোনা
- * * * *
- হরমুজ প্রণালি খোলা বা বন্ধ রাখা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে: ইরান
- * * * *
জুমার দিন
মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।
সাপ্তাহিক শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবার। মুসলমানদের জন্য এই দিন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের কিছু সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন বলে হাদিসে এসেছে।
জুমা (আরবি: جُمُعَة) এর অর্থ একত্রিত হওয়া, সম্মিলিত হওয়া, কাতারবদ্ধ হওয়া। যেহেতু, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুমিন-মুসলমান একটি নির্দিষ্ট সময়ে একই স্থানে একত্রিত হয়ে জামাতের সঙ্গে সে দিনের জোহরের নামাজের
জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম একটি নামাজ। জুমা আরবি শব্দ, এর অর্থ একত্র হওয়া, সম্মিলিত হওয়া, কাতারবদ্ধ হওয়া।
মুসলিমদের কাছে জুমার দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ দিন। জুমার দিনে এমন কিছু সময় আছে যখন আল্লাহ তার বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না।
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—
সপ্তাহের অন্য কোনো দিনের চেয়ে জুমাবারের গুরুত্ব বেশি। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।
জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ। জুমার আজান হয়ে যাওয়ার পর দুনিয়াবি সব কাজকর্ম বাদ দিয়ে মসজিদে চলে যাওয়া ওয়াজিব।
জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘দিবসসমূহের মধ্যে জুমার দিন শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৮৪)।