টাইফুন ইয়াগির আঘাত, তার ফলে সৃষ্ট প্রবল বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে ভিয়েতনামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে। এছাড়া এখনও নিখোঁজ আছেন অন্তত ২৪ জন।
টাইফুন
চীনের পর এবার ভিয়েতনামে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন ইয়াগি। শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভবনের ছাদ উড়ে গেছে, বিভিন্ন স্থানে নৌকা ডুবে গেছে এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।
চীনের দক্ষিণে একটি পর্যটন দ্বীপে ব্যাপক শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়েছে টাইফুন ইয়াগি।
জাপানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস নিয়ে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন শানশান।
টাইফুন হাইকুই রোববার সরাসরি আঘাত হানতে যাচ্ছে তাইওয়ানে। গত চার বছরের মধ্যে টাইফুন প্রথমবারের মতো তাইওয়ানে আঘাত হানছে।
টাইফুন সাওলা শুক্রবার গভীর রাতে দক্ষিণ চীনে আঘাত হেনেছে। এর আগে হংকং এবং দক্ষিণ চীনের উপকূলীয় অন্যান্য অংশে ব্যবসা, পরিবহন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস স্থগিত করে প্রায় দশ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
চীনের দক্ষিণ উপকূলে শক্তিশালী টাইফুন তালিম আঘাত হেনেছে। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
টাইফুন তালিম ধেয়ে আসায় চীনের দক্ষিণাঞ্চল ও ভিয়েতনামে কয়েক হাজার মানুষকে সোমবার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
ভিয়েতনামের কেন্দ্রীয় উপকূলে প্রবেশ করেছে টাইফুন নোরু। বুধবার ভোরে উপকূলে এটি পৌঁছে যায়।জাতীয় আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা বলেছে, শক্তিশালী বাতাস ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
ফিলিপিন্সের প্রধান দ্বীপে টাইফুন নোরু আঘাত হানার পর পাঁচজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে একজন।