শীত এলে বেশিরভাগ নারী একটি সমস্যায় পড়েন। তা হলো হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। অনেকসময় মোজা পরে, গরম ভাপ নিয়েও এই ঠান্ডা ভাব যায় না।
ঠান্ডা
মৌলভীবাজারে জেঁকে বসেছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ, আর সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
শীত এলেই খাবার নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম প্রচলিত একটি হল-শীতকালে শসা খেলে ঠান্ডা-কাশি হয়।
চলছে শীতের মৌসুম। এমন পরিস্থিতি শীতজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি, গলাব্যাথা, হাঁপানি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, অ্যালার্জি প্রভৃতি রোগের প্রকোপও বেড়েছে। এমন অবস্থায় অনেকেই ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করেন।
শীতকালীন ঝড় ‘বায়রন’ এর প্রভাবে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাত এবং তীব্র ঠান্ডায় গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘন্টায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কতৃপক্ষ। এছাড়াও টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় শত শত তাঁবু তলিয়ে গেছে
হজরত আবু মুসা আশআরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের নামাজ পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারি, মুসলিম)
অনেকেই ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে খাবারের পরে বা গরমের দিনে।
শরীরের কোনো জয়েন্টে ব্যথা পেলে কিংবা আঘাত লাগলে চিকিৎসক সেঁক দেওয়ার কথা বলেন। কিছু ক্ষেত্রে গরম সেঁক দিতে হয়, কিছু ক্ষেত্রে ঠান্ডা। কিন্তু কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।
তীব্র গরমের সময় অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ব্যথা উপশমে সেঁক খুব উপকারী। কিন্তু জানা জরুরি, কোন সেঁক কখন দিতে হবে।