গ্রীষ্মকাল মানেই রোদের তাপ, ক্লান্তি আর শরীরের পানিশূন্যতা। ঠিক এই সময়টায় বাজারে আসে একরাশ সুমিষ্ট, রসালো লিচু। শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও লিচু অনন্য।
ঠান্ডা
প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে ঘামে ভেজা শরীরে বাড়ি ফিরে একগ্লাস ঠান্ডা পানি যেন স্বর্গসুখের মতো। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে— ঠান্ডা পানি খাওয়া কি সত্যিই শরীর ঠান্ডা রাখে? নাকি এতে লুকিয়ে আছে কিছু ক্ষতির আশঙ্কা?
মাঘের শুরুতেই শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত লালমনিরহাটসহ উত্তরের বিভিন্ন জেলার মানুষের জীবন। বৃষ্টির মত পড়ছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার পাশাপাশি হিমেল হাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ বিপদে পড়েছে।
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে পাহাড়ি হিমেল বাতাস আর কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত। হাড় কাঁপানো কনকনে ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। জানুয়ারির দ্বিতীয় দিনেও বৈরী এই আবহাওয়া সীমাহীন জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
অল্প অল্প করে প্রকৃতিতে জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে শীত। এই সময়ে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।
হেমন্ত শুরু হলো বেশ কিছুদিন হয়ে গেছে। দিনে গরম থাকলেও রাতে হালকা ঠান্ডা পড়ে। এ শুষ্ক আবহাওয়ার শুরুতেই অনেকের পা, গোড়ালি ফাঁটতে শুরু করে।
নতুন প্রজন্মকে ঠান্ডা মাথায় এগিয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।
প্রচণ্ড এই গরমে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। ফলে এ সময় খাদ্যতালিকায় বেশ কিছু ফল রাখা উচিত, যাতে গরমেও শরীর ঠান্ডা থাকে।
কড়া রোদ থেকে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খেয়ে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই আছে।
বৈশাখের তাপদাহ বইছে। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রোনিক্স গ্যাজেট, ডিভাইসও গরমে নষ্ট হওয়ার জোগার। বিশেষ করে তাপপ্রবাহের ফলে গরম হয়ে কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে স্মার্টফোনও।