বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। মশাবাহিত এই ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে মানুষ। আক্রান্ত হয়ে দৈনিক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে বহু সংখ্যক রোগী। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিকে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ডেঙ্গু সংক্রমণ বলে আখ্যায়িত দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
ডব্লিউএইচ
বিশ্বে গত ২৪ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ লাখ ৭০ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৮ দিনে সংক্রমণ বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
দেশে ডেঙ্গু পরিস্তিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। শঙ্কা দেখা দিয়েছে মহামারির।
বিশ্বের অর্ধেক মানুষই ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। গতকাল শুক্রবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘের এক সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কবার্তা দেন ডাব্লিউএইচওর গ্রীষ্মমন্ডলীয় রোগের ইউনিট প্রধান রমন ভেলাউধন।
করোনা মহামারি নিয়ে আশার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। চলতি বছরই এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলতে যাচ্ছে বলে ধারণা তার। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন তিনি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কর্মকর্তারা মঙ্গলবার বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনার সর্বশেষ ওমিক্রন সাবভ্যারিয়েন্টের দ্রুত বিস্তারের পরিপ্রেক্ষিতে দেশগুলোকে দূরপাল্লার ফ্লাইটে যাত্রীদের মাস্ক পরার সুপারিশ বিবেচনা করা উচিত।
নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বকে মহামারি শেষ করার সুযোগটি কাজে লাগাতে আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুক্রবার ইউরোপে মাঙ্কিপক্ষের বিস্তার রোধে ‘জরুরি’ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।এদিকে তারা জানায়, গত দুই সপ্তাহে ইউরোপে এ পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে গেছে।
ডব্লিউএইচও বুধবার ধনী দেশগুলোর প্রতি কোভিড-১৯ জয় করার পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ন্যায্য অংশ পরিশোধ করার আহবান জানিয়েছে। এ জন্য জরুরি ভিত্তিতে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।