ইরান থেকে আবারও তেল আমদানি শুরু করেছে প্রতিবেশী তুরস্ক।
তেল আমদানি
তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে চীনের তেল আমদানি সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির শুল্ক বিভাগের দেওয়া তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানি করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। জি-টু-জি চুক্তির আওতায় ২০২৩ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য এই পরিমাণ জ্বালানি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার ৮৫০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
ভারতীয় রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ঋণদাতা ব্যাংক ‘ব্যাংক অব বরোদা’-এর মতে, গত বছর রাশিয়া থেকে আগের বছরের তুলনায় দশ গুণ বেশি তেল আমদানি করেছে ভারত।
বেসরকারিভাবে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। বোধকরি, বাংলাদেশকে যে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে যে আলোচনা চলছে তার অংশ হিসাবেই বেসরকারি খাতে তেল আমদানির বিষয়টিও উন্মুক্ত করার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।