দোয়া কবুল

দোয়া কবুলের জন্য যেসব বিষয় মেনে চলবেন

দোয়া কবুলের জন্য যেসব বিষয় মেনে চলবেন

দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। দোয়া কবুলের মাধ্যমে অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা।

ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা আমার কাছে দোয়া করো; আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব’ (সূরা মুমিন : ৬০)। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দোয়া ছাড়া আর কিছুই আল্লাহর সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারে না।’ (তিরমিজি : ২১৩৯)

দোয়া কবুল হয়নি নাকি অন্যভাবে কবুল হয়েছে? ইসলামের ব্যাখ্যা

দোয়া কবুল হয়নি নাকি অন্যভাবে কবুল হয়েছে? ইসলামের ব্যাখ্যা

মানুষ দোয়া করে। কখনো নিজের প্রয়োজনের জন্য, কখনো প্রিয়জনের জন্য, কখনো এমন কোনো আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, যার কথা কাউকে বলা যায় না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস একই প্রার্থনা করতে করতে একসময় মনে প্রশ্ন জাগে- এত দোয়া করেও যখন চাওয়া পূরণ হলো না, তাহলে কি দোয়া কবুল হয়নি?

জুমাবারে দোয়া কবুলের মুহূর্ত

জুমাবারে দোয়া কবুলের মুহূর্ত

জুমার দিন সাপ্তাহিক ঈদের দিন। মুসলমানরা এ দিনে একত্র হয় মসজিদে। এ সময় তাদের মাঝে পরস্পর মতবিনিময় হয় এবং তৈরি হয় সেতুবন্ধন।

দোয়া কবুল না হলে এই আমলটি করুন

দোয়া কবুল না হলে এই আমলটি করুন

বান্দার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দিতে পছন্দ করেন না। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা মুমিন: ৬০) রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় তোমাদের মহান প্রভু চিরঞ্জীব ও অতি দয়ালু। 

দোয়া কবুলে করণীয়

দোয়া কবুলে করণীয়

দোয়া কখনো বিফলে যায় না। তাই দোয়ার ফল পেতে দেরি হলে হতাশ হওয়া অনুচিত।

আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া কবুল হয়

আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া কবুল হয়

হাদিস শরিফে আজান ও ইকামতের মধ্যে দোয়া করার প্রতি তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ সময় দোয়া করলে তা কবুল হয়। রাসুল (সা.) বলেন, আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫৩৪)

রমজান মাসে দোয়া কবুলের তিন সময়

রমজান মাসে দোয়া কবুলের তিন সময়

মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের এসব কল্যাণ লাভে বিশেষ তিনটি সময়ের কথা হাদিসে এসেছে।