নবী

নবীজির ইতেকাফ যেমন ছিল

নবীজির ইতেকাফ যেমন ছিল

ইতেকাফ আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ আমল। ইতেকাফের বিধান অনেক প্রাচীন। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার ঘরকে সেই সকল লোকের জন্য পবিত্র করো, যারা (এখানে) তাওয়াফ করবে, ইতেকাফ করবে এবং রুকু-সেজদা করবে।’ (সুরা বাকারা: ১২৫)

ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে : নবীউল্লাহ নবী

ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে : নবীউল্লাহ নবী

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবীউল্লাহ নবী বলেছেন, ‘পতিত আওয়ামী লীগের দোসররা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। রাষ্ট্রকাঠামোর বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিস্টরা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

রমজানের শেষ দশকে নবীজির আমল

রমজানের শেষ দশকে নবীজির আমল

পবিত্র রমজানের শেষ দশক খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেষ দশকে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। রাসুলুল্লাহ (স.) এই দিনগুলোতে আমলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতেন। আমাদের উচিত, পবিত্র রমজানের এই দশককে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া। ইবাদত-বন্দেগি বাড়িয়ে দেওয়া। 

মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

সাহরি খাওয়া সুন্নত এবং এতে অফুরন্ত বরকত আছে। সাহরি খাওয়ার ফলে মানুষ শারীরিক শক্তি ও কর্মশক্তি লাভ করে, যা সারা দিনের রোজা পালনে সহায়ক হয়। 

নবীজি সেহেরিতে কী খেতেন

নবীজি সেহেরিতে কী খেতেন

সেহেরি খাওয়া সুন্নত। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষরাতে ঊষা উদয়ের আগে যে পানাহার করা হয়, তা-ই সেহেরি। আল্লাহর রাসুল (স.) সেহেরি খাওয়ার জন্য উম্মতকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বলেছেন, ‘তোমরা সেহেরি খাও। কেননা, সেহেরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম: ১/৩৫০)

রমজানে নবীজির পারিবারিক জীবন যেমন কাটত

রমজানে নবীজির পারিবারিক জীবন যেমন কাটত

মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ পরিবারের সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত নবীজির পারিবারিক জীবন। নবীজি যেমন সাদা মনের মানুষ ছিলেন, তেমনি তাঁর পারিবারিক জীবনও ছিল সাদাসিধে।