দীর্ঘ সাত মাসের যাত্রা শেষ। মঙ্গলগ্রহের মাটিতে সফলভাবে নামতে সক্ষম হয়েছে আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা নাসার মহাকাশযান পারসিভিয়ারেন্স রোভার।
নাসা
ফেব্রুয়রি মাসেই মঙ্গলে নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড কার নামাবে নাসা। তারপর বৃহস্পতিতে যাওয়া নিশ্চিত করেছে তারা। ২০২২ সালে এই এজেন্সির যান বৃহস্পতির কক্ষপথে প্রবেশ করবে।
মঙ্গলের পৃষ্ঠে (মার্স ২০২০ পারসেভারেন্স রোভার) ল্যান্ডিংয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য জনসাধারণকে আমন্ত্রণ জানাল নাসা।
চাঁদে মানুষের বসতি স্থাপন ও সেখানে স্থায়ী ভাবে একটি বেস তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে নাসার। দ্য টাইমস জানাচ্ছে, নাসা ২০২৪ সালে চাঁদে এক মহিলা ও এক পুরুষ নভশ্চরকে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই মিশনে যেতে পারে এমন ১৮ জনকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন করেছে নাসা।
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই বললেই চলে। সেই মহাশূন্যেই এ বার মুলাচাষ করে ফেলল আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’ (আইএসএস) নামের যে কৃত্রিম উপগ্রহ দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তাতেই এই চমকপ্রদ পরীক্ষায় সফল হয়েছে তারা।
আবারও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড় আকারের এক গ্রহাণু। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আগামী রবিবার 153201 2000 WO107 নামের ওই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে। বিশ্বের দীর্ঘতম বহুতল গগনচুম্বী দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার দৈর্ঘ্যের ওই গ্রহাণুটির ব্যাস ০.৫১ কিমি।
মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা মঙ্গলে পানির উৎস আবিষ্কার করে ফেলেছেন। বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহের মাটির নীচে তিনটি হ্রদ পেয়েছেন।
আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা নাসা চাঁদে আবার মানুষ নিয়ে যাবার জন্য তাদের পরিকল্পনার বিশদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।
আশ্চর্য মহাকাশ! অন্তত এই ব্রহ্মাণ্ডে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে কত না অজানা ঘটনা। যা সবসময় জানা বা বোঝা আমাদের পক্ষে অসাধ্য। তবে মাঝেমধ্যেই জ্যোর্তিবিজ্ঞানীদের দেওয়া নানা তথ্য এই অজানা ব্রহ্মাণ্ড সম্পর্কে আমাদের জানতে সহায়তা করে।
ফের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড়সড় গ্রহাণু। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পৃথিবী থেকে মাত্র ২২ হাজার মাইল (৩৬,০০০ কিলোমিটার) দূর দিয়ে চলে যাবে ওই মহাজাগতিক বস্তু।