এস্টোনিয়ার আকাশে বুধবার রুটিন টহল দিচ্ছিল একটি জার্মান এবং একটি যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান। অভিযোগ, আচমকাই একটি রাশিয়ার যুদ্ধবিমান এস্টোনিয়ার আকাশসীমার খুব কাছে চলে আসে। ঠিক তখনই জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের বিমান রাশিয়ার বিমানকে তাড়া করতে শুরু করে। তবে কোনো বিমানেরই কোনো ক্ষতি হয়নি।
ন্যাটো
ন্যাটো প্রধান স্টলটেনবার্গ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কয়েক মাসের তীব্র লড়াইয়ের পর আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত নগরীর নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার বাহিনীর হাতে চলে যেতে পারে।
ন্যাটোতে যোগদানের ফিনল্যান্ডের প্রস্তাবকে ত্বরান্বিত করার লক্ষে দেশটি মঙ্গলবার সংসদীয় বিতর্ক শুরু করেছে। দেশটির রাশিয়ার সাথে বিস্তৃত সীমানা রয়েছে। এ সীমানা ইউরোপের দেশগুলোর সাথে রাশিয়ার থাকা বৃহত্তম সীমান্তের অন্যতম।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিপ এরদোগান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আঙ্কারা ফিনল্যান্ডকে সামরিক জোট ন্যাটোতে গ্রহণ করতে পারে, তবে সুইডেনকে নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইউক্রেনে জার্মানির অত্যন্ত কার্যকর লিওপার্ড ট্যাংক সরবরাহ করতে একমত হতে পারেনি। এসব ট্যাংক ইউক্রেনে সরবরাহ করা হলে যুদ্ধ ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে রাশিয়ার হুমকির মুখে ন্যাটো নেতাদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।
পশ্চিমা দেশগুলোকে অবশ্যই ইউক্রেনকে দীর্ঘ মেয়াদে সাহায্য করার প্রস্তুতি রাখতে হবে। কারণ, রাশিয়ার নমনীয়ও হওয়ার কোনো লক্ষ্য নেই। ন্যাটো মহাসচিব এই কথা জানিয়েছেন।
রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে যে ইউক্রেন একদিন তারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি অমান্য করে পশ্চিমা সামরিক জোটে যোগ দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ।
পোল্যান্ডে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলেনবার্গ।
পোল্যান্ডে বিস্ফোরণের পর ইউক্রেন যুদ্ধ প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আরো বেড়ে গেল। সে ক্ষেত্রে সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর সাথে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত ঘটতে পারে।
ইউক্রেনকে সামনে আরো কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হবে এবং রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে খাটো করে দেখা উচিত হবে না। ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ সোমবার এ কথা বলেছেন।