চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্যে বুধবার (৭ মে) রাতে পিএসজির বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে লন্ডনে পিএসজির কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয় আর্সেনাল। এই ম্যাচ জিততে না পারলে ১৯ বছর আগের দুঃস্বপ্ন আর্সেনালের ফিরে আসতে পারে।
পিএসজির
ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের চলতি মৌসুম শুরুর আগেই পিএসজিকে বিদায় জানান কিলিয়ান এমবাপে, যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। নিজেদের ইতিহাসের সেরা ফুটবলারকে ছাড়াও অবশ্য দুর্দান্ত খেলছে ফরাসি জায়ান্টরা।
এমন কিছু আপনি দেখে থাকেন ইউরোপিয়ান লিগগুলোর শেষ দিনে। বদলে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফরম্যাট এবার সে রোমাঞ্চ নিয়ে হাজির হয়েছে আপনার সামনে।
ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের ফাইনালে এএস মোনাকোর বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল পিএসজি। এই ম্যাচে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে ফরাসি জায়ান্টদের। অতিরিক্ত সময়ে ডেম্বেলের একমাত্র গোলে মোনাকোকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে পিএসজি। এ নিয়ে সবশেষ ১২ বছরে ১১তম বারের মতো ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা।
পিএসজির গত সপ্তাহেই লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়েছে। তবে রোববার (১২ মে) ঘরের মাঠে তুলনামূলক দুর্বল দল তুলুসের কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেছে এমবাপ্পের দল।
ঘরের মাঠে লে হাভরের কাছে পয়েন্ট খুইয়ে শিরোপার অপেক্ষা বেড়েছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের (পিএসজি)। তবে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে মোনাকা। এতে পরের ম্যাচে মাঠে নামার আগেই লিগ ওয়ান শিরোপা জিতল প্যারিসিয়ানরা।
হাজার হাজার আল্ট্রাস সমর্থকের সামনে ঘরের মাটিতে নৌকা ডুবিয়েছে পিএসজি। ফুটবল মহাতারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে যেখানে ছিলেন নিরুত্তাপ, গোলহীন।
পার্ক দে প্রিন্সেসে লাসের বিপক্ষে ম্যাচে ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপ্পে করেছেন দারুণ জোড়া গোল। এতে লুইস এনরিকের দল জিতেছে ৩-১ গোলে। শেষ মুহূর্তে মরগান গুইলাভোগুই একটা সান্ত্বনার গোল এনে দেন লাসকে। তাতে অবশ্য পিএসজির জয়ের আনন্দে ভাটা পড়েনি একটুও।
দলে থাকবেন কি থাকবেন না- এটা এখনও অনিশ্চিত। প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) কিলিয়ান এমবাপেকে ধরে রাখার চেষ্টা করলেও এমবাপে থাকতে রাজি নন। কিংবা তার দেয়া শর্ত মেনেই তাকে রাখতে হবে। যা আবার পিএসজি ক্লাব কর্তৃপক্ষও মানতে রাজি নয়।
প্রাক-মৌসুম জাপান সফরের দল থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাদ দিয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। এর মাধ্যমে পিএসজিতে তারকা এই ফরোয়ার্ডের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা আরো ঘনীভূত হলো। এমবাপ্পের বাদ পড়া নিয়ে পিএসজি কোন ধরণের কারণও দেখায়নি।