২০০৯ সালে সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহে পিলখানায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার ঘটনা পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। এজন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠনেরও দাবি তাদের।
পিলখানা
পিলখানার ঘটনার পেছনে যারা আছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান।
পিলখানার হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত বিচার অল্পদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানার শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা জানান।
রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদরদপ্তরে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পূর্ণ হলো আজ। এ উপলক্ষে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
রাজধানীর পিলখানা তৎকালীন বিডিআর বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরে বিডিআার বিদ্রোহের ঘটনায় শহীদদের স্মরণে আজ শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হবে।
রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১৫তম বার্ষিকী আজ রোববার।২০০৯ সালের এই দিন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়েছিল।
পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি)। চৌদ্দ বছরে পা দেওয়া এ দিনটি উপলক্ষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনা সদর নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বিজিবি ও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার সরকার গঠনের মাত্র ৫২ দিন পরে একটি অকল্পনীয় ট্রাজেডি ঘটে। গোটা জাতি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর কখনো চায় না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, পিলখানায় নৃশংস হত্যাকান্ডের রায় যথার্থভাবে কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, ‘আপনারা বিচারের জন্য যেভাবে ধৈর্য ধারণ করে আছেন,সেভাবে ধৈর্য ধরুন, এ রায়ের কার্যকারিতাও দেখতে পারবেন।
আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের (পিলখানা ট্র্যাজেডি) ১৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। হত্যা মামলার বিচার ১৩ বছরেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।