চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৩ সালের ঐতিহাসিক ৫ মে স্মরণে ‘শাপলা গণহত্যা: ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদ
জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে বিএনপি ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সিংহভাগই শ্রমজীবী।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঘরে ও বাইরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব। এটিই সরকারের কাজ। সরকারি দল যারা আছেন তাদের প্রধান দায়িত্ব। বিরোধী দলে যারা আছি তাদের কাজ দেখিয়ে দেয়া তাদের দায়িত্ব।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে উদযাপিত হওয়া
কুমিল্লার লাকসামে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহত পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, দেশে বিশ্বমানের রেল ব্যবস্থা চালু করা হবে।
জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু জনগণের সাথে নির্মম তামাশা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংস্করণের জন্য যখন ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়, তখন একটি দল প্রায় সবগুলো সংস্কারে বিরোধিতা করে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের একটি স্পষ্ট রায় দিয়েছে, তা হলো বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা অন্যায় করেছে, যারা দমন-পীড়ন চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এই রায়ের পর বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারবে না।