সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বজ্রপাত
নেত্রকোনার হাওরে ধান কাটা অবস্থায় বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
কালবৈশাখী ঝড়ের সময় দেশের পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে পাঁচজন, রংপুরে দুইজন, হবিগঞ্জে একজন, নেত্রকোণায় একজন এবং ময়মনসিংহে দু’জন নিহত হয়েছেন
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বজ্রপাতে আবুল কালাম (২৮) নামের এক খামার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরও একজন আহত হয়েছেন।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কসবা ভাটপাড়া গ্রামে বজ্রপাতে জার্জিস রহমান (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জার্জিস রহমান ওই গ্রামের মৃত দাউদ হোসেনের ছেলে।
মুন্সিগঞ্জে বজ্রপাতে একই উপজেলার পৃথক দুই স্থানে দুইজন নিহত হয়েছে। টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বজ্রপাতে তাজিমুল ইসলাম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী পার কৃষ্ণপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শৌলাগড় হাওরে বজ্রপাতে ফরাস মিয়া (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বজ্রপাতে শরীফ মিয়া (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার(৩০ মার্চ) বিকালে উপজেলার ঢাকী সেতুর পাশে বাহিরচর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।