প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সকলকেই খালাস দিল ভারতীয় আদালত। বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীর মতো নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
বাবরি মসজিদ
১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের রায় আজ বুধবার ঘোষণা করবে ভারতের লখনউয়ের বিশেষ আদালত। ভারতীয় সময় দশটা নাগাদ এই রায় দেয়ার কথা আদালতের।
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বহুলালোচিত রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু বাবরি মসজিদ ধ্বংসের রায়ের দিকে নজর রাখছেন মুসলিমরা।
ভারতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মহাসমারোহে রামমন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার জন্মভূমির অধিকার চেয়ে ঈদগাহ-মসজদি সরিয়ে জমি ফেরাতে আদালতে ‘শ্রীকৃষ্ণ’র পক্ষে মামলা করা হয়েছে।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের বহুল আলোচিত বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় রায় ঘোষণা হতে চলেছে। সিবিআই-এর বিশেষ আদালত এ রায় দেবে।
ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় যেখানে রাম মন্দির নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে তার একাংশে কবরস্থান থাকায় মুসলিমরা সেখানে মন্দির নির্মাণ না করার আবেদন জানিয়েছে।
অবশেষে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির গড়ার জন্যই রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।