টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তৃতীয় দফায় লালমনিরহাট জেলার তিস্তার বাম তীরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
- বাংলাদেশকে-পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়তে বললেন বিজেপির মন্ত্রী
- * * * *
- শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
- * * * *
- যশোরে চিহ্নিত এক সন্ত্রাসীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা
- * * * *
- গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবার ওপরে মেসি, তার পেছনে কারা?
- * * * *
- ইরান যুদ্ধ ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয়
- * * * *
বিপৎসীমার উপরে
উজানের ঢল আর টানা বর্ষণে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যার পানিতে বাগেরহাটে সব নদনদীর পানি বিপৎসীমার ২ থেকে ৪ ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানিবিপৎসীমার উপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। বিশেষ করে নৌকা না থাকায় বন্যার্তদের উদ্ধার করতে পারছেন না স্বেচ্ছাসেবীরা। হঠাৎ করে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ।
বরিশাল বিভাগের ৭ টি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পূনিমা জো ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে পানি বেড়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধায় করতোয়া নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ২টি গুচ্ছগ্রামসহ ১৫টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বরিশালে নদ-নদীর পানি আগের দিনের চেয়ে আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার বরিশাল বিভাগের ৬ নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হয়েছে।
বরিশালে নদ-নদীর পানি আবারও বেড়েছে। বুধবার বরিশাল বিভাগের ৩ নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হয়েছে।
বরিশাল বিভাগের বেশীরভাগ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। তবে সোমবারও দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রাবহিত হয়েছে।
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি কিছুটা কমছে। আবার কোন নদীর পানি আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ৯টি নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হয়েছে। আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হয়েছে।