বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিএইচও) করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রতিরোধে শান্ত থাকতে এবং যৌক্তিক পদক্ষেপ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বব্যাপী আতংক তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি মঙ্গলবার এ আহ্বান জানায়।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ পিসিআর টেস্টে শনাক্ত হচ্ছে। অন্য টেস্টের ওপর এর প্রভাব নিয়েও গবেষণা চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) রোববার এ কথা জানায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী মঙ্গলবার বলেছেন, তিনি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ‘দ্বিতীয় প্রজন্মের’ অপেক্ষায় আছেন, যা নাকের স্প্রে এবং ওরাল সংস্করণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, ইনজেকশন হিসেবে বর্তমান ভ্যাকসিন ব্যবহারের তুলনায় এই দ্বিতীয় প্রজন্মের ভ্যাকসিনের সফল সংস্করণ বিতরণ সহজ হবে এমনকি ব্যক্তি নিজেই ব্যবহার করতে পারবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বুধবার জানিয়েছে, তারা জরুরি ব্যবহারের জন্য কোভ্যাক্সিনের অনুমোদন দিয়েছে। মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এটি হচ্ছে ভারতীয় ভারত বায়োটেকের তৈরি একটি ভ্যাকসিন।
বাংলাদেশের ১৮ বছরের নিচে স্কুলশিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
ম্যালেরিয়ার টিকা অনুমোদন করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই টিকা বানিয়েছে গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন।আফ্রিকায় এই টিকার পরীক্ষা হয়েছে। সাফল্যের হার ৩০ শতাংশ। তা সত্ত্বেও এই টিকা অনুমোদন করা হয়েছে।
কভিড-১৯ এর টিকা দেয়ার অগ্রাধিকার গ্রুপে শিক্ষক এবং স্কুল স্টাফদের রাখতে হবে, যেন ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার স্কুলসমূহ খোলা রাখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ সোমবার এ কথা বলেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা বিঘিন্ত করার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশটির ভঙ্গুর স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দেশটি বর্তমানে তালেবানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষায় দরিদ্র দেশগুলোর যেসব লোক দুই ডোজ করে টিকা পেয়েছেন, তারা নিজেদের ভাগ্যবান ভাবতেই পারেন! কারণ বিপুল জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। এ ধরনের দেশগুলোতে এক ডোজ টিকা পাওয়া মানুষের সংখ্যাও খুবই কম। দরিদ্র বিশ্ব এভাবে যখন করোনা টিকার স্বাভাবিক দুই ডোজ পেতেই হিমশিম খাচ্ছে, তখন ধনী দেশগুলো বুস্টার হিসেবে তৃতীয় ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে।
দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে দেড় বছরেরও বেশি সময়। গোটা বিশ্বেই কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ কখনও বেড়েছে। কখনও কমেছে। কিন্তু আতঙ্ক অব্যাহতই রয়েছে। মুক্তি মেলেনি করোনার থাবা থেকে। কবে শেষ হবে করোনা অতিমারী? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়ে চলেছে সকলেরই মনে।