ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা।
মুন্সিগঞ্জ
রবিবার (৪ জানুয়ারি) জেলার শ্রীনগর উপজেলার বালাসুর এলাকা ও কুমারভোগ পুর্নবাসন কেন্দ্র এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার দুপুর ১২টায় লৌহজং উপজেলার সাতঘরিয়া এলাকা থেকে আটক করা হয়।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বৈখর গ্রামে সেলিনা আক্তারের ভাড়াটিয়া আনোয়ার শেখের (৪৫) টিনের ঘরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উত্তর কোটগাঁও এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
মুন্সিগঞ্জের পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে মাওয়া-লৌহজং সড়কের পাশের কারখানা ও ওয়ার্কশপসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে গেছে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাস আলী (৪৭) গাজীপুরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে বিএনপি’র দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মুন্সিগঞ্জ জেলায় মাত্র দুই দিনে উদ্ধার হয়েছে ৯ জনের মরদেহ। গত রবিবার (৩১ আগস্ট) থেকে গতকাল সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে এসব মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মুন্সিগঞ্জের শহরে অভিযান চালিয়ে ৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শহরের ফলপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। এরা হচ্ছে- মো. মানিক শেখ (৩২), মো. আমীর হোসেন (৪১), মো. আকবর আলী (৪২) ও মো. রিপন মিয়া (৪৮)।