দিন যত যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও তীব্রতর হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সাগরে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার দেশটির
মার্কিন-জায়োনিস্ট শত্রুর বিরুদ্ধে ‘মারাত্মক ও কার্যকরী নতুন পর্যায়ের হামলা’ শুরু হয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ডস কর্পসের বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মৌসাভি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে এ খবর জানায় আল-জাজিরা।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জোরদার করতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ‘টার্মিনাল হাই অ্যালটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’ বা থাড ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ড শনিবার এক কড়া বিবৃতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই অঞ্চল থেকে তাদের সমস্ত শিল্পকারখানা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে আমেরিকানদের অংশীদারত্ব রয়েছে এমন বাণিজ্যিক বা শিল্প স্থাপনাগুলোর কাছাকাছি এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ২ হাজার ২০০ মেরিন সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ আরো ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এ পরিকল্পনা করছে।
প্রায় ৩০ দিনের জন্য রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সাময়িক স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ অনলাইনে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ, ভারত ও চীনসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ মিসাইল হামলার ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করে একে ‘ক্ষমাঅযোগ্য যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে তেহরান।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।