মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হলো জুমার দিন। এ দিনে জোহরের পরিবর্তে জামাতে দুই রাকাত ফরজ জুমার নামাজ আদায় করা হয়।
যে আমল
রিজিক, অসুখ, ক্ষতি, ব্যর্থতা কিংবা ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণে মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা ও হতাশা বারবার ফিরে আসে।
সৎ আমল মানুষের জীবনে আল্লাহর রহমত, শান্তি ও কল্যাণ এনে দেয়। আমলের ফলে রিজিক, সময়, হৃদয়ের প্রশান্তি ও কাজের সফলতায় বৃদ্ধি ঘটে—আর আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সহজ হয়।
দুর্ঘটনা, বদনজর, জাদু, জিনের আসর ইত্যাদি সব রকম বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকতে নবিজির (সা.) শেখানো এ দুটি আমল নিজে করুন, পরিবারের সবাইকে করার পরামর্শ দিন। নবিজি (সা.) থেকে গ্রহণযোগ্য সূত্রে আমলদুটি বর্ণিত হয়েছে।
পৃথিবীর সম্পদ সসীম কিন্তু মানুষের চাহিদা অসীম। চাহিদা পূরণের সুযোগও এখানে সীমিত। এখানে সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। অনেক কিছুই এখানে অপূরণীয় থেকে যায়।
ফরজ নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম এবং মুমিনের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
দাম্পত্যজীবনে সুখ থাকে, দুঃখ থাকে, থাকে ঝগড়াও। জীবনজুড়ে এসব ঝড়ঝাপ্টার মধ্য দিয়েই স্বামী-স্ত্রীকে পরকালমুখী হতে হয়।
যে কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে আমরা নবিজির (সা.) শেখানো আমলটি করতে পারি।
কোরআন ও হাদিস থেকে জানা যায়, নেক আমল মানুষের পরকালের পাথেয়। পরকালে আমলের পূর্ণ প্রতিদান পাওয়া যাবে। কিন্তু কিছু বিশেষ আমল এমন আছে, যেগুলো পরকালে ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে।