এই ডিজিটাল যুগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের অনেকেরই একটা দিনও ইন্টারনেট ছাড়া কাটে না। মোবাইলে সোশ্যাল মিডিয়া দেখা হোক, ল্যাপটপে অফিসের কাজ করা হোক বা স্মার্ট টিভিতে সিনেমা দেখা, সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ইন্টারনেট। আর এই সমস্ত ডিভাইসকে একসঙ্গে যুক্ত করে রাখে যে অদৃশ্য মাধ্যম, সেটি হলো ওয়াইফাই।
রাউটার
আধুনিক জীবনে প্রতিটি মুহূর্ত ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। আর এই ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের রাউটার ব্যবহার করছেন তার ওপর। রাউটার কেনার সময় আমরা প্রায়ই ‘ব্যান্ড’ শব্দটি শুনি।
আগে কারো বাসায় গেলে প্রথমে জিজ্ঞেস করা হতো, ‘কেমন আছেন?’ আর এখন জিজ্ঞেস করে ‘ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা কী?’— ঠাট্টা করে এমন কথা বললেও বাস্তবতা একই তথ্য দেয়। ওয়াইফাই রাউটার ছাড়া বর্তমানে এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ? জানুন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে কী বলছেন। ওয়াইফাই রাউটার সারা রাত চালিয়ে রাখলে কী হবে ? রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও
রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও অন্যদের মত ওয়াইফাই রাউটার চালিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। তবে মনে প্রশ্ন আসে যে এই রাউটার বন্ধ করলে কি বিদ্যুৎ খরচ কম হবে? প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ?
প্রায় সবাই এখন ঘরে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেন। দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই ওয়াই-ফাই অন রাখেন বাড়িতে। কিন্তু দেখা যায় দিনের বেশিরভাগ সময়ই ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যায়।
বেশিরভাগ মানুষ ওয়াইফাই ইন্টারনেট রাউটার ২৪ ঘণ্টাই চালিয়ে রাখেন। ওয়াইফাই চালু থাকা অবস্থাতেই ফোনটি মাথার কাছে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন? রাতভরই চালু থাকে ওয়াইফাইয়ের রাউটার? কী ক্ষতি হচ্ছে শরীরের?
বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে সিঙ্গেল, ডুয়াল ব্যান্ড বা ট্রাই-ব্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের রাউটার পাওয়া যায়। এর মধ্যে শিগগিরই দেশে সিঙ্গেল ব্যান্ডের সব রাউটারের আমদানি, উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধ হতে যাচ্ছে।
আপনার ঘরের ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে আপগ্রেড করার জন্য গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড নিয়ে এল কিউডির মেশ সিরিজের আরও একটি রাউটার। মডেল এম ৩০০০।