দেশে দীর্ঘদিন ধরেই উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তবে এবার তা ২৭ বিলিয়ন ছাড়ালো। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
রিজার্ভ
প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারায় বাড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ। সবশেষ তথ্য বলছে, দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ১৪০ কোটি ডলার।
বেশ কয়েক মাসে ইতিবাচক ধারায় রয়েছে প্রবাসী আয়। এতে রিজার্ভে ফিরেছে স্বস্তি। প্রবাসী আয়ে ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ বেড়ে প্রায় ২১ বিলিয়ন (২০.৮৫ বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে আবার ২০ বিলিয়ন (১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলার অতিক্রম করেছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এক হাজার ৯৯৫ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা ১৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী এ রিজার্ভ হিসেব করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরে দেশের রিজার্ভ থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছিল, যা এখন হয়েছে ২৪ বিলিয়ন। অর্থাৎ বাকি টাকাটা বাইরে চলে গেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এক মাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ২৪ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার ডলার।
বর্তমানে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৪৩০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ডেফিনেশন অনুযায়ী বর্তমানে আমাদের প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২০ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।