প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার কক্সবাজার যাচ্ছেন। সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি নির্মিত দেশের প্রথম এবং এশিয়ার বৃহত্তম দৃষ্টিনন্দন আইকনিক রেল স্টেশন উদ্বোধন করবেন।
রেলপথ
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বিএনপি ভোটে আসতে চায় না। কারণ তারা জানে জনগণ তাদেরকে ভোট দিবে না। তারা যেসব কাজ করেছে তাতে ভোট চাওয়ার মত মুখ তাদের নেই।
আগামী অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে চালু হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৌবন্দর মোংলার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ।
বহুল কাঙ্ক্ষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের রেলপথ পায়রাবন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত যাবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, রেলকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই প্রকল্প হতে নেওয়া হয়েছে।
বহুল কাঙ্খিত আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের পুরো অংশে সফলভাবে চালানো হয়েছে ট্র্যাক কার।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জেলার আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন দিয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের নিয়ে যাত্রা করে ট্র্যাক কারটি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবনির্মিত আখাউড়া-আগরতলা রেলপথে আজ মঙ্গলবার পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এরইমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রেলপথটি চালু হলে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সর্ম্পক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নব দিগন্তের সূচনা হবে।
দীর্ঘ আট মাস পর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকাল থেকেই এ ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমে এসেছে।
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।’
দেশের প্রধানতম রুট ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ এই রেল রুটটিতে নিরবচ্ছিন্ন ট্রেন সার্ভিস চালাতে একাধিক উদ্যোগ নেয়া হয় এক দশক আগেই। ৩২১ কিলোমিটার রেলপথের প্রায় সবটুকু ডাবল লাইন হলেও বাকি ছিল লাকসাম-আখাউড়া পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার।