বহুল কাঙ্খিত আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের পুরো অংশে সফলভাবে চালানো হয়েছে ট্র্যাক কার।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জেলার আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন দিয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের নিয়ে যাত্রা করে ট্র্যাক কারটি।
রেলপথ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবনির্মিত আখাউড়া-আগরতলা রেলপথে আজ মঙ্গলবার পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এরইমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রেলপথটি চালু হলে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সর্ম্পক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নব দিগন্তের সূচনা হবে।
দীর্ঘ আট মাস পর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকাল থেকেই এ ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমে এসেছে।
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।’
দেশের প্রধানতম রুট ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ এই রেল রুটটিতে নিরবচ্ছিন্ন ট্রেন সার্ভিস চালাতে একাধিক উদ্যোগ নেয়া হয় এক দশক আগেই। ৩২১ কিলোমিটার রেলপথের প্রায় সবটুকু ডাবল লাইন হলেও বাকি ছিল লাকসাম-আখাউড়া পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার।
রেলপথ মন্ত্রী মো: নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্টেশনগুলোতে আমরা এক্সেস কন্ট্রোল করেছি কাজেই টিকেটবিহীন কোন যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবে না।মন্ত্রী আজ ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া পর্যন্ত রেললাইনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে কাজের সুবিধার জন্য। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জিং বিষয় হচ্ছে মাওয়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত অংশটি।
‘টিকেট যার ভ্রমণ তার’-এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে রেলওয়ের সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করেছেন রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন এমপি। আজ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেলুন ও পায়েরা উড়িয়ে তিনি রেলসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করেন ।
রেলওয়ের নির্মাণাধীন খুলনা থেকে মংলা পোর্ট পর্যন্ত নতুন রেলপথ এবছর ডিসেম্বরে চালু হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন ।
সাম্প্রতিক বন্যায় সিলেট-ছাতক রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। এমনিতেই করোনা মহামারীতে সিলেট-ছাতক পথে রেল চলাচল বন্ধ ছিল। বন্যার কারণে এই রুটে ফের রেল যোগাযোগ বন্ধ হলো।