অ্যাডিনো ভাইরাসের এমন প্রতিপত্তিতে শঙ্কায় সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসক। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা এই ধরনের অসুখের শিকার হচ্ছেন বেশি। জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুরোগীর ভিড় উপচে পড়ছে ভারতের কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে।
শিশুর
কক্সবাজারের টেকনাফে বসত-বাড়ির সামনে রাখা একটি পানি ভর্তি বাস্কেটের মধ্যে পড়ে মারিয়া খাতুন (২বছর) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গাড়িতে আটকাপড়ে প্রচণ্ড গরমে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার বাবা বাংলাদেশী বলে জানা গেছে।
ভোলার চরফ্যাশনে রবিবার বিকাল ৪টায় আসলামপুর ইউনিয়নে লামিয়া ইসলাম আহিয়া নামে দেড় বছরের শিশুর সলিল সমাধির ঘটনা ঘটেছে। তার পিতার নাম মো. রাসেল। মৃত আহিয়ার বাবার বাড়ি নোয়াখালী জেলার বসুরহাট উপজেলার চর ফকিরা গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডে।
লক্ষ্মীপুরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিনা রক্তপাত ও ব্যাথামুক্তভাবে ২ হাজার ৩০০ শিশুর সুন্নাতে খতনা করানো হয়েছে।
গাজীপুরে বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরেক শিশু। রোববার সকালে ইপসা গেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গত বছর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তৈরি দূষিত কাশির ওষুধ সেবন করে তিন দেশে কমপক্ষে ৩০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর এবার এক বিশেষ তদন্ত শুরু করতে চলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবার এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাধারণ ওয়ার্ড থেকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
রাজবাড়ীর কালুখালীতে আগুনে পুড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (বশেমুমেক)এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়।
নওগাঁয় ডোবার পানিতে পড়ে খাতিজা (৫) ও আবদুল্লাহ (৫) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নওগাঁ পৌরসভার দূর্গাপুর চকপিয়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।