শ্রমবাজার, জনশক্তি রপ্তানি এবং শ্রম অভিবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
শ্রমবাজার
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে জরুরি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
আগামী মাস থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।
বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আবারও মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের শ্রমবাজার খোলার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মরিশাসে বন্ধ থাকা বাংলাদেশের শ্রমবাজার পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দুই দেশ দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে সরকার কাজ করছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়া রুট দ্রুত সময়ের মধ্যে খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের মোট অভিবাসীর সর্বোচ্চ ৬৭ শতাংশই যায় সৌদি আরবে। সে হিসেবে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের অর্ধেকের বেশি যায় শুধু এই দেশটিতে। শ্রমবাজারের দ্বিতীয় স্থানে কাতার, চতুর্থ কুয়েত, ষষ্ঠ আরব আমিরাত এবং সপ্তম স্থানে জর্ডান। চলতি মাসের শুরুতে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের শুরু হওয়া যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ড্রোন হামলা লন্ডভন্ড করে দিয়েছে শ্রমবাজার।
দেশে গত পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় আটকে আছে দক্ষ শ্রমিকের হার। এতে বাংলাদেশি শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর হয়ে পড়ছে। দক্ষ শ্রমিকের অভাবে এমন চাহিদার অন্য কোনো দেশের শ্রমবাজারে জায়গা করে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এতে অধরাই থেকে যাচ্ছে নতুন শ্রমবাজার। ফলে বাংলাদেশের শ্রমবাজার নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।