শীত এলেই বেড়ে যায় সর্দি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা। ওষুধ খেয়েও কমতে চায় না। কিন্তু অ্যালার্জির সঙ্গে আপস করা যায় না। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই জানেন অ্যালার্জি কতটা মারাত্মক হতে পারে।
সর্দি
সর্দি–কাশি হলে অনেকেই সিরাপ ও অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সবার মধ্যেই কমবেশি সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দেয়। গলা ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, ক্লান্তি ও শরীরে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ হলো ফ্লু সম্পর্কিত।
বর্ষা আসতেই ছোট-বড় অনেকেই সর্দি-জ্বরে ভুগছেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এ সময় নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
বাংলাদেশে গত কিছুদিনে মানুষের মধ্যে হাঁচি, কাশি, সর্দি-জ্বরের মতো উপসর্গ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি করোনাভাইরাসে সংক্রমণের হারও বেড়েছে।
শীতের দিনে পাতে যদি থাকে গরম গরম স্যুপ, তাহলে তো কোনো কথাই নেই!
ঋতু বদলাচ্ছে। এই সময় সর্দি-কাশি লেগে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। অসুস্থ হয়ে যাওয়ার কঠিন সময়ে মধু হতে পারে সবচেয়ে বড় সমাধান। কিন্তু সর্দি কাশি সাড়াতে সরাসরি মধু খেলে তো আর হবে না। খেতে হবে সমন্বয়ে। শীতে সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পেতে মধুর ব্যবহার করুন
এখন বসন্তকাল। ঋতু পরিবর্তনের এ সময় ঘরে ঘরে ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, জ্বর দেখা দেয়। বসন্তকালের আবহাওয়া যতই মিষ্টি হোক না কেন, এ সময় অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন- চিকেন পক্স, গুটিবসন্ত কিংবা সর্দি-কাশি, ঠান্ডা, জ্বর ইত্যাদি।
আবহাওয়া পরিবর্তন এবং বাতাসে নানা রকম ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলা জরুরি। বিশেষ করে বাচ্চাদের। তাই বাড়িতে তেতোর নানা পদ রান্না হচ্ছে প্রায়ই। কিন্তু সহজে তেতোর ডাল তৈরি করার রেসিপি রইল এখানে।
শীতকালে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় খানিক কমে যায়। সেই সঙ্গে দেখা দেয় নানা শারীরিক সমস্যা। তাতেই গোলযোগ বাধে শরীরের অন্দরে। জ্বর, সর্দি-কাশির মতো অসুস্থতা লেগেই থাকে।