প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে পাঁচটি প্রস্তাব তুলে ধরে মহামারি প্রতিরোধের অংশ হিসেবে একটি বৈশ্বিক সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
সহযোগিতা
সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ এবং চামড়া খাতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দু’টি প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ রেলওয়ে খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চেয়েছেন।ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জের নির্বাহী চেয়ারম্যান টনি ব্লেয়ার বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহযোগিতা চান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর আবারো জোর দিয়ে বলেছেন, ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার এই সময়ে ভবিষ্যতের ধকল মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে দুর্বলদের জন্য সহনশীলতা তৈরিতে স্পষ্টত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আবশ্যক।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গাদের তাদের আদি দেশ মিয়ানমারে নিরাপদ, টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) থেকে আরো সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।
সম্প্রতি দীর্ঘদিনের বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে যে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন হয়েছে, সেটা শুধু কৌশলগত চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বলে জানিয়েছে তেহরান। বরং নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে সম্মত হয়েছে উভয় দেশ।
বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার স্তর নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফরে টোকিওতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিওর সাথে তার বৈঠককালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আটটি চুক্তি বা সহযোগিতা স্মারক (এমওসি) সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতিসঙ্ঘের সহযোগিতা নেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে বিদেশী পর্যবেক্ষকদের নিয়ে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। বিদেশী পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশে নির্বাচন দেখে শিখতে পারে।