গাজার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে আল-আওদা হাসপাতালের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় পাঁচ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
সাংবাদিক নিহত
লেবাননের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় অন্তত তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
দখলদার ইসরায়েলর বর্বর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার দুই সাংবাদিক। আজ বুধবার (৩১ জুলাই) গাজার আল শাতি ক্যাম্পে এই নৃসংস ঘটে।
গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ২৭ হাজার। এরমধ্যে ১২২ জন সাংবাদিক রয়েছেন। ইচ্ছাকৃত ভাবে ইসরায়েলের সেনা একাজ করেছে।জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত এক সংস্থার বিশেষজ্ঞ এক বিবৃতিতে এ তথ্য দেন। সেখানে বলা হয়েছে, গাজা স্ট্রিপে ইসরায়েলের অভিযান শুরু হওয়ার পর অন্তত ১২২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। আহত আরো অনেক। হামাসও চারজন ইসরায়েলি সাংবাদিককে হত্যা করেছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় জেরুজালেম-ভিত্তিক আল কুদস সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক জাবের আবু হার্দোস এবং তার পরিবারের ছয় সদস্য নিহত হয়েছেন।
অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আহমেদ জামাল আল মাধউন নামে আল রাই এজেন্সির ডেপুটি ডিরেক্টর নিহত হয়েছেন। চলমান আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ১০১ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
ঝিনাইদহ শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সেলিম মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সেলিম সদর উপজেলার হলিধানী গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সদস্য ছিলেন।
গত ৭ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিলিস্তিনের গাজা যুদ্ধে অন্তত ৬১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৪ জন ফিলিস্তিনি, চারজন ইসরায়েলি ও তিনজন লেবানিজ।
হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ৫০ দিনে অন্তত ৬৭ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। গাজার গণমাধ্যমবিষয়ক সরকারি কার্যালয় শনিবার হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রাণহানির এই তথ্য জানিয়েছে।
ফিলিস্তিন শাসিত গাজা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় ৭ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিক-সহ ৪০ গণমাধ্যম কর্মী নিহত হয়েছেন।