মেঘের রাজ্য খ্যাত রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে আবারও নিরুৎসাহিত করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জোবাইদা আক্তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সাজেক
দেড় মাস পর পর্যটকদের জন্য আজ থেকে খুলছে দেশের বিনোদনের অন্যতম আকর্ষণীয় স্পট সাজেক ভ্যালি।
রাঙ্গামাটির দুর্গম সাজেক এবং বঙ্গলতুলী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনী বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি উপত্যকায় আগামী তিন দিন পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন।
প্রায় চার দিন আটকে থাকার পর নিরাপদে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করেছেন সাজেকে আটকে থাকা প্রায় দেড় হাজার পর্যটক।মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে সাজেক ছেড়ে যায় পর্যটকবাহী গাড়িগুলো।
ঢলের পানিতে ডুবে যাওয়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের পানি সরে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়া দুই শতাধিক পর্যটক নিরাপদে ফিরে গেছেন।
পাহাড়ি ঢলে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে প্রায় ৩৮০ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন।এদিকে শনিবার (০৩ আগস্ট) খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের উদ্দেশ্যে কোনো পর্যটকবাহী গাড়ি যায়নি।
পানি কমতে শুরু করায় সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে সাজেক থেকে পর্যটকবাহী এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে রওনা করেন পর্যটকরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা।
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন ৭ শতাধিক পর্যটক।
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি থেকে ফেরার পথে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।