করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করায় গণমাধ্যম এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
স্বাস্থ্য
লকডাইন চলাকালিন সময়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনস্থ সকল অধিদপ্তর, দপ্তর, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা- কর্মচারীগণ আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশংকা প্রকাশ করেছেন, লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
করোনা ঝুঁকি পূর্ণ জেলা গুলির মধ্যে যশোরের অবস্থান থাকলেও স্বাস্থ্য বিধি না মানায় এ জেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।
করোনা টিকা নিয়েও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা, কর্মচারী করোনায় সংক্রমিত হলেন।
দেশের ২৯টি জেলাকে সংক্রমণের হার বিবেচনায় ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। সোমবার (২৯ মার্চ) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এমন তথ্য জানিয়েছেন।
আপাতত সাধারণ ছুটি বা লকডাউনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেই, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্বাস্থ্য সচিবের বরাত দিয়ে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল সাধারণ ছুটির যে নিউজ প্রচার করা হচ্ছে সেটি মিথ্যা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেলে চললে লকডাউন প্রয়োজন হবে না। তবে কিছু পরামর্শ সরকারকে আমরা দিয়েছি। আমরা নই, লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।